Pages

Tuesday, October 18, 2011

পুঁজিবাজারে কারসাজি: ২ মামলায় ৫ আসামির জামিন

মবিনুল ইসলাম, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা: পুঁজিবাজারে কারসাজির অভিযোগে দায়ের করা পৃথক দু‘টি মামলায় ৫ আসামির জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার আসামিরা ঢাকার সিএমএম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে মহানগর হাকিম এজিএম আল মাসুদ এই জামিন মঞ্জুর করেন।
আসামিরা হচ্ছেন-সৈয়দ সিরাজ উদ দৌলা, তার স্ত্রী রাশেদা আক্তার মায়া, হাবিবুর রহমান মোড়ল, আবু সাদাত মো. সায়েম ও মোবিন মোল্লা।
গত ২১ আগস্ট সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) পক্ষে এর পরিচালক মাহবুবের রহমান চৌধুরী মামলা দু’টি করেন।
ওইদিন আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছিলেন।
অভিযোগে বলা হয়, সৈয়দ সিরাজ উদ রদৗলা, তার স্ত্রী রাশেদা আক্তার মায়া ও হাবিবুর রহমান মোড়ল পিএফআই সিকিউরিটি হাউজের মাধ্যমে শেয়ার ট্রেডিং করতো। তারা গত বছরের ৩০ জুন হতে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ে পরস্পর একই উদ্দেশ্য সাধনের জন্য পিপলস লিজিংয়ের শেয়ার বড় ধরনের লেনদেনের মাধ্যমে একটি সক্রিয় পুঁজিবাজার লেনদেনের পরিবেশ সৃষ্টি করে কৃত্রিমভাবে শেয়ারের দাম বৃদ্ধি করে তাদের কাছে রক্ষিত শেয়ার বিক্রি করে অবৈধভাবে লাভবান হয়।
আবু সাদাত মো. সায়েম ও মোবিন মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়, তারা গত বছরের ২৭ জুলাই হতে ১৯ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে পরস্পর একই উদ্দেশ্য সাধনের জন্য ইস্টার্ন হাউজিংয়ের শেয়ার বড় ধরনের লেনদেনের মাধ্যমে একটি সক্রিয় পুঁজিবাজার লেনদেনের পরিবেশ সৃষ্টি করে কৃত্রিমভাবে শেয়ারের দাম বৃদ্ধি করে তাদের কাছে রক্ষিত শেয়ার বিক্রি করে অবৈধভাবে লাভবান হয়।
তাদের বিরুদ্ধে সালতা ক্যাপিটাল লিমিটেড, আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড, আইআইডিএফসি ক্যাপিট্যাল লিমিটেড ও আইআইডিএফসি ফাইন্যান্স লিমিটেডের মাধ্যমে বেআইনিভাবে ইস্টার্ন হাউজিংয়ের শেয়ার ক্রয় বিক্রয়ের অভিযোগ আনা হয়।
উল্লেখ্য, শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারী তদন্তে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে চেয়ারম্যান করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. তৌফিক আহমেদ চৌধুরী ও মোহাম্মদ আব্দুল বারীকে সদস্য করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
তদন্ত কমিটি গত ৩১ মার্চ সরকারের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে ওই পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে শেয়ার কারসাজির অভিযোগ করা হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৮২৬ ঘণ্টা, অক্টোবর ১৭, ২০১১

পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ

ঢাকা, অক্টোবর ১৭ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- কোনো ব্যাংক তার মোট দায়ের ১০ শতাংশ পর্যন্ত পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারে। তবে পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোর গড় বিনিয়োগ তাদের দায়ের ৪ শতাংশের কাছাকাছি।

তাই ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি)- এর পক্ষ থেকে পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোকে আইনি সীমার মধ্যে বিনিয়োগ বাড়াতে আহ্বান জানানো হবে।

সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন এবিবির সহ-সভাপতি ও এনসিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নুরুল আমীন।

তিনি বলেন, "শেয়ারবাজারে যে সব ব্যাংকের বিনিয়োগ আইনি সীমার নিচে রয়েছে, তাদের বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য অনুরোধ করবো আমরা। এ জন্য শিগগিরই একটি বৈঠক ডাকা হবে।"

দেশে ১১টি ব্যাংকের সীমার অতিরিক্ত বিনিয়োগ রয়েছে জানিয়ে আমীন বলেন, "আইনি সীমার মধ্যে থেকে শেয়ারবাজার নিয়ে ব্যাংকগুলোর কিছু করার থাকলে গভর্নর তা করতে বলেছেন।"

"শেয়ারবাজারের জন্য এবিবি কোনো উদ্যোগ নিলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করারও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এবিবির পক্ষ থেকে কী উদ্যোগ নেওয়া হবে, তা বৈঠকে ঠিক করা হবে," বলেন তিনি।

নুরুল আমীন জানান, তার সঙ্গে বৈঠকের সময় গভর্নর আতিউর রহমান এবিবির সভাপতি ও সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে মাহমুদ সাত্তারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন।

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ আসা দরকার মন্তব্য করে এবিবি সহভাপতি বলেন, "বাজারে আস্থার সঙ্কট রয়েছে।"

আস্থার সঙ্কট কী- তা জানতে চাওয়া হলে একটি ব্যাংকের শীর্ষস্থানীয় এক কর্মকর্তা বলেন, ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিটির সুপারিশ পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে না বলেই আস্থার সঙ্কট দেখা দিয়েছে।

গত বছরের শেষ দিকে এবং এ বছরের শুরুতে পুঁজিবাজারে উত্থান-পতনের পর পুঁজিবাজারে কারসাজির অভিযোগ উঠলে সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।

খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ নেতৃত্বাধীন ওই কমিটি এ বছরের ৭ এপ্রিল সরকারের কাছে প্রতিবেদন দেয়। তারা পুঁজিবাজারে অনিয়মের কয়েকটি ঘটনার প্রমাণ পায়। বাজার স্থিতিশীল করতে বেশ কয়েকটি সুপারিশ দেয় ওই কমিটি।

Friday, October 14, 2011

৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেবে FAS Finance

২০১৩ সালের মধ্যে বাড়ি-গাড়ি কেনার জন্য প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেয়ার পরিকল্পনা করেছে এফএএস ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। সবার ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে বাড়ি-গাড়ি কেনার সুবিধা দিতে গাড়ি-বাড়ি লোন মেলার আয়োজন উপলক্ষে গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। নিটল-নিলয় গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এফএএসের উদ্যোগে শুরু হচ্ছে এ মেলা। ১৫ অক্টোবর রাজধানীর মহাখালীর হোটেল অবকাশে এ মেলা শুরু হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নিটল-নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল মাতলুব আহমদ। তিনি মেলার বিষয়ে বিস্তারিত জানান। উপস্থিত ছিলেন নিটল-নিলয় গ্রুপের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান, এফএএসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজ উদ্দিন চৌধুরী, নিটল ইন্স্যুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লুত্ফর রহমান এবং স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার বাংলাদেশ শাখার প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা রাজেশ কুমার সিং।
আবদুল মাতলুব আহমদ জানান, আগামী বছরের মার্চ নাগাদ ৭০০ কোটি টাকা ঋণ দেবে এফএএস। ২০১২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ২ হাজার ৫০০ কোটি এবং ২০১৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেয়ার পরিকল্পনা করেছে তার এ প্রতিষ্ঠান। এ ক্ষেত্রে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক সহায়তা করবে তাদের।
গাড়ি-বাড়ি লোন মেলা চলবে বছরব্যাপী। প্রতি শনিবার হোটেল অবকাশে এ মেলা বসবে। এ ছাড়া পর্যায়ক্রমে দেশের ১৬টি শহরে আয়োজন করা হবে গাড়ি-বাড়ি লোন মেলা। মেলায় ক্রেতাদের জন্য থাকবে নিশ্চিত মূল্য ছাড়, বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ ও বিশেষজ্ঞ মতামতের ব্যবস্থা। মোট ১০টি স্টল থাকবে এ মেলায়। এর মধ্যে টাটা ন্যানো, টাটা এস পিকআপ ও নিটল গ্রুপের জন্য বরাদ্দ থাকবে তিনটি স্টল। বাকি সাতটি স্টলে পর্যায়ক্রমে দেশের খ্যাতনামা বিভিন্ন আবাসন প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হবে বলে জানা গেছে।

News Source


১ লাখ ২২ হাজার পোর্টফোলিওতে ১৩ হাজার কোটি টাকা অলস পরে আছে

পুঁজিবাজারে অস্বাভাবিক আচরণ ও ধারাবাহিক দরপতনের কারনে নিষ্ক্রিয় হয়ে আছে প্রায় ১ লাখ ২২ হাজার বিও(বেনিফিশিয়ারি ওনার্স)একাউন্ট বা পোর্টফোলিও।এর ফলে চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত অলসভাবে পরে আছে প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা। ডিএসই ও সিডিবিএল সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
সূত্র জানায়, চলতি বছরের শুরু থেকে শেয়ারবাজারে ভয়াবহ বিপর্যয়ের কারণে অনেক বিনিয়োগকারী তাদের হাতে থাকা শেয়ার লোকসানে মেরে পোর্টফোলিওতে ক্যাশ করে রাখনে। এ পোর্টফোলিও’র মধ্যে ৫ হাজার থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত রয়েছে। সুত্র জানায়, এ সব পোর্টফোলিওতে  অনেক সময় কিছু কিছু লেনদেন হলেও মোটা অংকের টাকা এমনি পরে রয়েছে। আবার অনেক পোর্টফোলিওতে গত ছয় মাস ধরে কোন লেনদেন কোনভাবেই হয় নি।
এ বিষয় ডিএসই’র সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, কত টাকা পরে আছে এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। এগুলো বিষয়ে ডিএসই’র সার্ভিলেস বিভাগ বলতে পারবে। তবে কোন বিনিয়োগকারীর পোর্টফোলিওতে টাকা পড়ে থাকলে আমাদের কোন কিছু করার নেই। তার টাকা সে বিনিয়োগ করতেও পারে নাও করতে পারে। বিনিয়োগকরার সিদ্ধান্তটি তারই।
বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েসনের (বিএমবিএ) সহ-সভাপতি মুহাম্মদ এ হাফিজ বলেন, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর বর্তমানে তারল্য সংকট ভুগছে এ কথা যেমনটি সত্য। অনেক পোর্টফোলিওতে মোটা অংকের টাকা পড়ে রয়েছে এটাও সত্য। তবে তারা আমাদের গ্রাহক। তাদের আমরা ফোর্স করতে পারি না। বিনিয়োগকরার জন্য চাপ দিতেও পারি না।
সেন্ট্রাল ডিপোজিটরী অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) তথ্য অনুযায়ি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিও একাউন্ট রয়েছে মোট ২৭ লাখ ৬৯ হাজার ১০৯টি। এর মধ্যে পুরুষ একাউন্ট রয়েছে রয়েছে ২০ লাখ ৫২ হাজার ২২৭টি, মহিলা একাউন্ট রয়েছে ৭ লাখ ৮ হাজার ৪৯২টি এবং ৮ হাজার ৩৯০টি কোম্পানি বিও একাউন্ট রয়েছে । এর মধ্যে দেশি একাউন্ট হচ্ছে ২৬ লাখ ২২ হাজার ৬১৪ টি ও প্রবাসী একাউন্ট রয়েছে ১লাখ ৩৮ হাজার ১০৫টি।

News Source

Bangladesh Insurance Association (BIA) moves to invest Tk 45b life insurance fund in Dhaka Stock Market


Bangladesh Insurance Association (BIA) has initiated a move to facilitate investment of an amount of Tk 45 billion of life insurance fund in the country's stock market.

"We have a plan to move forward a proposal to the Dhaka Stock Exchange (DSE) for investing 30 per cent of Tk 150 billion life fund in stock market," Chairman of BIA Sheikh Kabir Hossain Thursday said.

To this effect, the BIA, the apex body of the country's insurers, has already formed a three-member committee with the task of finalising the proposal, Mr Kabir informed a group of journalists after an emergency meeting of the executive committee of the BIA at its office in the capital.

"We also want at least 10 per cent quota in the Initial Public Offerings (IPOs) to ensure safety and security of policy holders' money," he said.

He said that at present the BIA invested about five per cent of life fund of its member-companies in the stock market.

"We asked the committee to submit its report within seven days. After we receive the report, we will submit it to the DSE," he added.

Senior vice-president of DSE Dhaka Share Market and managing director of Sandhani Life Insurance Co Ltd Ahsanul Islam Titu is the convenor of the committee while managing director of Progressive Life Insurance Co Ltd MA Karim and vice-chairman of Karnaphuli Insurance Co Ltd Nasir Uddin Ahmed Pavel are its members.

The BIA chairman, however, reiterated the demand that the government should put on hold the implementation of the decisions that were taken by the regulatory authority. Those decisions, if implemented, will adversely impact the businesses in the sector, he claimed.

"Our demands are not illegal or irrational. We believe that good sense will prevail upon the Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA) to appreciate our realistic demands," he added.

He said, the IDRA is now trying to regulate the insurance companies by issuing circulars but it has not yet prepared any guidelines on the basis of consultations with the stakeholders.

This practice runs afoul of the directive of the ministry of finance (MoF), he alleged.

"In accordance with the government directives, all the banks and financial institutions should run their business activities on all working days from 10:00 am to 6:00 pm. But IDRA directed the insurance companies to run their daily business activities from 9:00 am to 5:00 pm. This is badly hampering the functioning of insurance companies in coordination with those of the banks," he added.

He also called upon the government not to allow the chairman of IDRA to take any further decision regarding the businesses of, and imposition of any penalty against, the insurance companies.

He urged the IDRA to keep all the decisions that it has taken so far in abeyance and to sit in a meeting with the stakeholders so that the sector can smoothly move forward.

He said the decision which the IDRA has already taken about not allowing a person to remain a director of two financial institutions at a time, is "not business friendly" at all.

He also took a strong exception to the move taken by the regulator about imposition of penalty against the "errant" insurance companies.

The regulator -- IRDA -- has earlier asked all insurance companies to strictly comply with the provisions of Insurance Act of 2010.

It has directed all insurers to submit the names of directors, if any, who have been holding directorship simultaneously of more than one insurance company and also of any bank or other financial institution by October 16.

The directors of insurance companies have been opposing the provisions of the Insurance Act under which directors of any insurance company have been debarred from holding directorship simultaneously with any other insurance company or bank or financial institution, since the enactment of the Act.

IDRA issued the circular in conformity with the provisions of the Insurance Act of 2010 (75) which barred an individual from becoming the director of a bank, financial institution or an insurance company at a time.

IDRA officials said the circular was issued for establishing transparency in the insurance sector and addressing the issue of conflict of interests.

A banking company will be defined in accordance with the provisions of the Bank Company Act of 1991, while a financial institution will be defined in accordance with the Financial Institution Act of 1993, the circular said.

According to the Bank Company Act, 1991 (BCA, 1991), an individual is not allowed to become a director of more than one banking company or more than one financial institution or more than one insurance company at a time.

Managing Director and Chief Executive Officer (CEO) of Green Delta Insurance Co Ltd Nasir A Choudhury, vice-chairman of Nitol Insurance Co Ltd AKM Monirul Hoque, vice-chairman of Karnaphuli Insurance Co Ltd Nasir Uddin Ahmed, managing director (MD) of Progressive Life Insurance Co Ltd MA Karim and managing director (MD) of Continental Insurance Ltd Md Hashmat Ali, among others, were present at the BIA meeting on Thursday.

News Source


পুঁজিবাজারে লাইফ ফান্ডের ৩০ শতাংশ বিনিয়োগের দাবি

পুঁজিবাজারে অস্বাভাবিক আচরণ ও ধারাবাহিক দরপতনের কারনে নিষ্ক্রিয় হয়ে আছে প্রায় ১ লাখ ২২ হাজার বিও(বেনিফিশিয়ারি ওনার্স)একাউন্ট বা পোর্টফোলিও।এর ফলে চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত অলসভাবে পরে আছে প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা। ডিএসই ও সিডিবিএল সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
সূত্র জানায়, চলতি বছরের শুরু থেকে শেয়ারবাজারে ভয়াবহ বিপর্যয়ের কারণে অনেক বিনিয়োগকারী তাদের হাতে থাকা শেয়ার লোকসানে মেরে পোর্টফোলিওতে ক্যাশ করে রাখনে। এ পোর্টফোলিও’র মধ্যে ৫ হাজার থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত রয়েছে। সুত্র জানায়, এ সব পোর্টফোলিওতে  অনেক সময় কিছু কিছু লেনদেন হলেও মোটা অংকের টাকা এমনি পরে রয়েছে। আবার অনেক পোর্টফোলিওতে গত ছয় মাস ধরে কোন লেনদেন কোনভাবেই হয় নি।
এ বিষয় ডিএসই’র সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, কত টাকা পরে আছে এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। এগুলো বিষয়ে ডিএসই’র সার্ভিলেস বিভাগ বলতে পারবে। তবে কোন বিনিয়োগকারীর পোর্টফোলিওতে টাকা পড়ে থাকলে আমাদের কোন কিছু করার নেই। তার টাকা সে বিনিয়োগ করতেও পারে নাও করতে পারে। বিনিয়োগকরার সিদ্ধান্তটি তারই।
বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েসনের (বিএমবিএ) সহ-সভাপতি মুহাম্মদ এ হাফিজ বলেন, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর বর্তমানে তারল্য সংকট ভুগছে এ কথা যেমনটি সত্য। অনেক পোর্টফোলিওতে মোটা অংকের টাকা পড়ে রয়েছে এটাও সত্য। তবে তারা আমাদের গ্রাহক। তাদের আমরা ফোর্স করতে পারি না। বিনিয়োগকরার জন্য চাপ দিতেও পারি না।
সেন্ট্রাল ডিপোজিটরী অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) তথ্য অনুযায়ি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিও একাউন্ট রয়েছে মোট ২৭ লাখ ৬৯ হাজার ১০৯টি। এর মধ্যে পুরুষ একাউন্ট রয়েছে রয়েছে ২০ লাখ ৫২ হাজার ২২৭টি, মহিলা একাউন্ট রয়েছে ৭ লাখ ৮ হাজার ৪৯২টি এবং ৮ হাজার ৩৯০টি কোম্পানি বিও একাউন্ট রয়েছে । এর মধ্যে দেশি একাউন্ট হচ্ছে ২৬ লাখ ২২ হাজার ৬১৪ টি ও প্রবাসী একাউন্ট রয়েছে ১লাখ ৩৮ হাজার ১০৫টি।

News Source


Thursday, October 13, 2011

ডিএসইর ভুল সূচক সংশোধন করা হবে

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ভুল মূল্যসূচক সংশোধনে উদ্যোগ নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। মূল্যসূচক পুনর্গঠনে সংস্থাটি তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। গতকাল বুধবার এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে। 
এসইসির নির্বাহী পরিচালক এ টি এম তারেকুজ্জামানকে প্রধান করে গঠিত কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল ইসলাম ও পরিচালক মাহবুবুল আলম। কমিটিকে ১৫ দিনের মধ্যে মূল্যসূচক পুনর্গঠন প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
এর আগে গত এপ্রিলে মূল্যসূচক সংশোধনে এসইসির সিদ্ধান্ত চেয়ে চিঠি দেয় ডিএসই। এরপর পাঁচ মাসের বেশি সময় কেটে গেলে এসইসি এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি। ফলে ডিএসইর মূল্যসূচক ভুল বার্তা দিয়ে যাচ্ছে।
এসইসি সূত্র জানায়, কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পরই ভুল সূচক সংশোধনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সম্প্রতি শেয়ারবাজারের ধারাবাহিক দরপতনের পরিপ্রেক্ষিতে মূল্যসূচক সংশোধনে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহল সুপারিশ করেছে। 
মূল্যসূচক সমন্বয়ে গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রধান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের শিক্ষক মাহমুদ ওসমান ইমাম বলেন, ‘সূচক সংশোধনের এখনই ভালো সময়। জরুরি ভিত্তিতেই এটা করা উচিত।’
জানা গেছে, এরই মধ্যে কমিটি দ্বিতীয় দফায় সূচক সমন্বয়ের হালনাগাদ প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত সূচকের অবস্থানের ভিত্তিতে এই হালনাগাদ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।
হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তিজনিত অতীতের ভুলের কারণে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচকে প্রায় এক হাজার ৯০০ পয়েন্ট বাড়িয়ে দেখানো হচ্ছে। পদ্ধতিগত অন্য ভুলগুলোকে হিসাবে নিলে এর পরিমাণ আরও কিছুটা বাড়বে বলে জানান কমিটির প্রধান মাহমুদ ওসমান ইমাম।
গত আগস্টে ডিএসইর ভুল মূল্যসূচক নিয়ে প্রথম আলোতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসইসির চেয়ারম্যান এম খায়রুল হোসেন বলেছিলেন, ‘ঈদুল ফিতরের পরপরই সূচক সংশোধনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
বিগত কমিশন এই ভুল সূচক সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছিল। তখনকার কমিশনের সুপারিশে ডিএসই বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে। 
কমিটির প্রতিবেদনে অতীতে সূচক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে পদ্ধতিগত পাঁচটি ভুল চিহ্নিত করা হয়। যদিও এর মধ্যে সূচক নির্ণয়ের পদ্ধতি কিছুটা সংশোধন করেছে ডিএসই। তা সত্ত্বেও আগের ভুলের ধারাবাহিকতা এখনো অক্ষুণ্ন রয়েছে বলে জানান মাহমুদ ওসমান ইমাম। 
মাহমুদ ওসমান বলেন, ‘পদ্ধতি পরিবর্তন করা হলেও সূচকের বাড়তি অংশ এখনো বাদ দেওয়া হয়নি। তাই এই সূচক বিনিয়োগকারী, নীতিনির্ধারক ও ব্যবহারকারীদের বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছে। 
কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত কোম্পানির বোনাস ও রাইট শেয়ার ঘোষণা, ঋণভিত্তিক সিকিউরিটিজ (ডিবেঞ্চার, মিউচুয়াল ফান্ড ইত্যাদি), নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তি ও লেনদেন নিষিদ্ধ শেয়ারকে সূচকে অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে পদ্ধতিগত ভুল করা হয়েছে।

Regulator moves on flawless index calculation for DSE


The stockmarket regulator has formed a three-member committee to introduce a flawless index computation method on the bourses.
The Securities and Exchange Commission (SEC) came up with the body after an index development committee earlier submitted a report on flawless index calculation method to the commission.
The SEC asked the new committee, led by the regulator's Executive Director ATM Tariquzzaman, to submit a report to the commission in the next 15 working days.
The commission yesterday issued an office order to this effect, said an SEC official.
The two other members of the committee are Executive Director Md Anowarul Islam and Director Mahbubul Alam.
The index development committee in its report said the General Index of the Dhaka Stock Exchange (DGEN) was 1,900 points higher than the amount that should have been up to June this year.
If other technical faults of the counting system are taken into consideration, the points would be higher, according to the report.
The report also made two recommendations on flawless index computation -- the first one is about eliminating the wrongly added points from the index, and the second is about launching a new index.
The first recommendation will be difficult to implement, while the second one will be easier and more market friendly to put into place, the report said.
The flawed computation in indices first came to light through media reports in January last year, following the trading debut of Grameenphone on the stockmarket in November 2009. Presently, each bourse has three types of indices. The DSE introduced the general index on November 27, 2001 with a base of 817.62 points. The index, which excludes 'Z' category companies, is calculated on the basis of individual stock price movements under the 'A', 'B', 'G' and 'N' categories.
Previously, there was only one index that included all the securities of the stock exchange. Starting with a base of 350 points, the index rose as high as 3,648.75 points on November 5, 1996, when the market witnessed a 'bubble and bust'.

Wednesday, October 12, 2011

কালো টাকার উৎস সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন করা হবে না: এসইসি

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান এম খায়রুল হোসেন বলেছেন, শেয়ারবাজারে কালো টাকা বিনিয়োগের উৎস সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন করা হবে না।

বুধবার এসইসির সম্মেলন কক্ষে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

এম খায়রুল হোসেন বলেন, সরকার একটি স্থিতিশীল ও শক্তিশালী পুঁজিবাজার চায়। এ লক্ষ্যেই পুর্নগঠিত এসইসি কাজ করে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে বেশকিছু আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে এর সুফল পেতে একটু সময় লাগবে।

এসইসি সঠিক পথে এগুচ্ছে এমন দাবি করে এম খায়রুল হোসেন বলেন, গত কয়েকদিন পুঁজিবাজারে দরপতনে সরকার বিচলিত হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, সরকার পুঁজিবাজারে অব্যাহত দরপতনের কারণ অনুসন্ধান করতে এসইসিকে নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এসইসি কিছু পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে।

এসইসির চেয়ারম্যান জানান, বুধবার সকালে এনবিআর’র চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে এসইসির একটি প্রতিনিধি দল। তাতে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকৃত অর্থ  আগের মত করমুক্ত রাখা, মিউচুয়াল ফান্ডের উপর আরোপিত ১০ শতাংশ কর প্রত্যাহার করা, ব্রোকারেজ হাউজগুলোর উপর ১০ পয়সা আরোপিত কর কমিয়ে আগের মত ৫ পয়সা করার অনুরোধ জানানো হয়। 

http://banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=0ebf8ab72300320714488d4aa61daa74&nttl=2011101262639

Tuesday, October 11, 2011

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে বিনিয়োগকারীরা নিজের দোষেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিন্তু সে দোষ এসে পড়েছে সরকারের ঘাড়ে।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান বলেন, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে বিনিয়োগকারীরা নিজের দোষেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিন্তু সে দোষ এসে পড়েছে সরকারের ঘাড়ে। এভাবে নিজের দোষ অন্যের উপর চাপানো ঠিক না। তিনি আরও বলেন, পর্যাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ধৈর্য ধরে দীর্ঘ সময় পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে হয়। তার পরই সফলতা আসে।

সোমবার রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেল মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ ফাণ্ড’ এর ইউনিট বিক্রির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, যারা বাজার সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান রাখেন না, বাজারের তথ্য বিশ্লেষণ করেন না, গুজবের উপর ভিত্তি করে বিনিয়োগ করেন, তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হন, পুঁজি হারান।

বাংলাদেশ ফান্ড পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে উল্লেখ্ করে ড. মশিউর রহমান বলেন, এই ফান্ড বাজারে তারল্য সরবরাহ বৃদ্ধি করবে। এতে বাজার দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। বিনিয়োগকারীগণ লাভবান হবেন।  ফান্ডের পরিচালকদের উদেশ্য করে তিনি বলেন, নিয়ম মেনে সঠিকভাবে বিনিয়োগ করবেন। দ্রুত মুনাফার পিছনে ছুটবেন না।

অর্থনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, আমাদের শেয়ারের লট বিতরণ সব সময় দুর্নীতিমুক্ত থাকে। কারণ আমি আমার নিজের বন্ধুর কোম্পানির শেয়ারের লট কেনার জন্য আবেদন করেও পাইনি। দুর্নীতি হলে নিশ্চয় পেতাম। পুঁজিবাজারের তথ্য পাচার দণ্ডনীয় অপরাধ উল্লেখ্ করে তিনি বলেন, পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা যারা তথ্য পাচার করেন, অন্যের অর্থ ব্যবহার করে লাভবান হয়েছেন নিশ্চয় তারা দণ্ডনীয় অপরাধ করেছেন।

আইসিবি পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ড. এস এম মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম খায়রুল হোসেন, আইসিবির ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান প্রমুখ।

News Source